Islam worshiping stone? ইসলাম কি পাথর পুজা ?


Worship money paid. He uses the word literally worshiped by Hindus. They will give them up images of gods worshiped in front of her program, and the fact that they are paid. Their faith in God’s eternal times, times that of the Hindus seeking, as replica of the multiplication of the name of a god worshiped his statue built in front of him. For example – the power of God’s fold. With the power of the name of Durga,Durga is worshiped an idol set up in front of him homage, and that the power to protect them. Hindus believe that God exists everywhere, so God made the saktirupa Durga idol amongst them. Durga Puja saktirupa their faith in God in this way, they will be protected from various bangle affliction.imani so sometimes they break. And the challenge is – will that god can not save their idols, worshiping him, why?

It’s just, rational and realistic. Now the use of the same argument in Islam.

**Sahih Al-Aswad al-Tirmidhi :: Hazare, Rukn and Maqam Ibrahim merits anuccheda, Chapter 9 :: Hadith 877 ————–
Ibn Abbas (ra) have to conform to, he said, the Prophet (PBUH) said: Be Heaven Hazare Aswad was down more than milk and white situation. If the son of Adam sins, but it was black.

Sahih al-Tirmidhi :: Hajj chapter, Chapter 9 :: Hadith 959

Kutayaba (s.) ….. Umair (s.) Reported that, he said, Ibn Umar (ra.) To push the Hazare-Aswad in both the House and rukane Yarnanite would rukane. One day I balama him, even if you push the crowd rukane two other companions arrived, but I do not see Emon push to go there. He said, if I think it is the fault of this pull- I heard, touched on the two pillars Ease The penalty for the sins heard him say, You can even push the two rukane crowd, but at the other disciple to go there and see if I can not push Emon. He said, if I think it is the fault of this push-push? I am the Messenger of Allah (Heard the two pillars is atonement for the sins him touch Ease

Circumambulate seven times if properly bayatullahra virtues are like a slave. I heard him say, a trot around the uthayana wherewith he does or what he is not a forgive and writing is not a virtue.

This hadith says that when believers sin is slated to touch the rocks. There is also a result of what believer tradition
**Sahih Bukhari Volume 3 :: :: interrupted a pilgrimage to the section in Chapter 8 :: :: Hadith 46
Muhammad ibn Yusuf (s) … Abu Huraira (ra) narrated, he said, the Prophet (peace be upon him) said that the House did not perform Hajj, does not commit immorality and did not disobey God, he just evolved baby from the womb like (Hajj) will return.

If you believe that the newly evolved Hajj is innocent, like a child. Hajj because he kissed or touched the black stone or hajare Aswad, along with the black stone will absorb the sins of all, he made totally innocent. Straight black stone, which means the sins of all believers..
The believers are those who believe in the power of sin, God alone. They also believe that the black stone can sin. Black stone, according to their faith was not God? As soon as the question of oil preference purple, illuminates various agaduma bagaduma start talking.

So it turns out, the believers living stones of this period manobakye respect because they want to be sinless and innocent by touching the stones to be there for Hajj at the time they become so insane that many believe a lot of the pressure of the crowd as cataract. By touch or kiss the black stone hesitates to risk their lives, they do not respect.

So they say that they are the grounds Hindus worship idols, what is the same logic that Muslims do not worship the black stone? Or some kind of argument Hindus, Muslims and the different? Still, I imagine that Hindus form of God or gods in their image of God bidhyamana times, but I never think that Muslims Yet again, the time period between the stones of their God firmly believe stones as a means of sin. That was partly statue pujai where Hindus and Muslims worship the stone is not 100%?

**Showed a hadith narrated by Omar groups of believers now say that the black stone Omar said there is no power. Kissing or touching the black stone is no sin. But the question is – Who is Islam? Muhammad’s words, or words of Omar? Ekati that any talk about Muhammad, about the same in different words, Omar, to whom you will accept?
পূজা অর্থ শ্রদ্ধা নিবেদন। হিন্দুরা সে অর্থেই পুজা শব্দটাকে ব্যবহার করে। তারা যে তাদের দেব দেবতাদের মূর্তি গড়ে তার সামনে পুজার অনুষ্ঠান করে,সেটা আসলে তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করে। তাদের বিশ্বাস তাদের ঈশ্বরের অনন্ত গুন আছে , তার মধ্যে হিন্দুরা যে গুন কামনা করে , ঈশ্বরের সেই গুনের প্রতিরূপ হিসাবে একটা দেবতার নাম দিয়ে তার মুর্তি গড়ে তার সামনে পূজা করে। উদাহরন – ঈশ্বরের একটা গুন হলো শক্তি। সেই শক্তিকে তারা দূর্গার নাম দিয়ে , দুর্গার একটা প্রতিমা গড়ে তার সামনে পূজা করে অর্থাৎ শ্রদ্ধা নিবেদন করে, যেন সেই শক্তি তাদেরকে রক্ষা করে। হিন্দুরা বিশ্বাস করে ঈশ্বর সর্বত্র বিদ্যমান ,তাই ঈশ্বরের সেই শক্তিরূপ দূর্গা তাদের গড়া প্রতিমার মধ্যেও বিদ্যমান। তাই তাদের বিশ্বাস এভাবে ঈশ্বরের শক্তিরূপ দুর্গাকে পুজা করলে তারা নানাবিধ বালা মুসিবত থেকে রক্ষা পাবে। তাদের যুক্তি , তারা প্রতিমার পুজা করে না , বরং তারা যাকে কল্পনা করে প্রতিমা গড়েছে ঈশ্বরের সেই শক্তি, তার পুজাই করে। কিন্তু মুমিনরা এটাকেই বলে মূর্তি পুজা। তাই তারা মাঝে মাঝে ইমানী জোসে সেই মূর্তি ভাঙ্গে। আর চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলে – যে দেব দেবতা তাদের মূর্তি রক্ষা করতে পারে না , তার পুজা কেন?
কথাটা ঠিক , যৌক্তিক আর বাস্তব সম্মত। এখন এই একই যুক্তি ইসলামে খাটাই।

সহিহ আত্ তিরমিজি :: হাজরে আসওয়াদ, রুকন ও মাকামে ইবরাহীমের ফযীলত অনূচ্ছেদ, অধ্যায় ৯ :: হাদিস ৮৭৭

হযরত ইবন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্নিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: জান্নাত হতে হাজরে আসওয়াদ অবতীর্ন হয়েছিলো দুধ হতেও বেশি সাদা অবস্থায়। কিন্তু এটিকে আদম সন্তানের গুনাহ এমন কালো করে দিয়েছে।

সহিহ আত্ তিরমিজি :: হজ্জ অধ্যায়, অধ্যায় ৯ :: হাদিস ৯৫৯
কুতায়বা (র.)….. উমায়র (র.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, ইবন উমার (রা.) চাপাচাপি করে হলেও হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামনী বায়তুল্লাহর এই দুই রুকনে যেতেন। আমি একদিন তাঁকে বলাম, আপনি এ দুটি রুকনে ভীড়ে চাপাচাপি করে হলেও গিয়ে উপস্থিত হন কিন্তু অন্য কোন সাহাবী তো ইমন চাপাচাপি করে সেখানে যেতে দেখি না। তিনি বললেন, যদি অমি এরূপ চাপাচাপি-ধাক্কাধাক্কি করি তাতে দোষ কি? আমি তো রাসূলুল্লাহ(সা.)-কে বলতে শুনেছি, এ দুটো রুকন স্পর্শ করণে গুনাহসমূহের কাফফারা হয়ে যায় তাঁকে আরো বলতে শুনেছি, কেউ যদি যথাযথ ভাবে বায়তুল্লাহ্র সাতবার তাওয়াফ করে একটি ক্রীতদাস করার মত ছওয়াব হয়। আমি তাঁকে আরো বলতে শুনেছি , তাওয়াফ করতে গিয়ে এমন কোন কদম সে রাখেনা বা তা উঠায়না যদ্বারা তার একটি গুনাহ মাফ না হয় এবং একটি নেকী লেখা না হয়।

তার মানে হাদিস বলছে কাল পাথরকে স্পর্শ করলে মুমিনের পাপ মোচন হয়ে যায়। ফলে মুমিনের কি অবস্থা হয় সেটাও আছে হাদিসে.
হজ্বে বাধাপ্রাপ্ত হওয়া অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৩ :: অধ্যায় ২৮ :: হাদিস ৪৬
মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ (র)… আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (সাঃ)বলেছেন, যে ব্যক্তি এ ঘরের হজ্জ আদায় করল, অশ্লীলতায় লিপ্ত হলনা এবং আল্লাহর নাফরমানী করল না, সে মাতৃগর্ভ থেকে সদ্য প্রসূত শিশুর মত হয়ে (হজ্জ) প্রত্যাবর্তন করবে।

অর্থাৎ হজ্জ করলে মুমিন সদ্য প্রসূত শিশুর মত নিষ্পাপ হয়ে যায়। তার কারন সে হজ্জের সময় কাল পাথর বা হজরে আসওয়াদ চুমু খেয়েছে বা স্পর্শ করেছে , আর কাল পাথর সাথে সাথেই তার সব পাপ শোষন করে নিয়ে তাকে সম্পূর্ন নিস্পাপ বানিয়েছে। যার সোজা অর্থ কাল পাথর মুমিনের সব পাপ মোচন করেছে।
মুমিনরা বিশ্বাস করে , পাপ মোচনের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। তারা এটাও বিশ্বাস করে কাল পাথরও পাপ মোচন করতে পারে। তাহলে তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী কাল পাথরটাই কি আল্লাহ হয়ে গেল না ? মুমিনকে এ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা মাত্রই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে নানারকম আগডুম বাগডুম কথা বলা শুরু করবে।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে , মুমিনরা এই কাল পাথরকে কায় মনোবাক্যে শ্রদ্ধা করে কারন তারা নিষ্পাপ হতে চায় এবং দল বেধে হজ্জে গিয়ে কাল পাথরকে স্পর্শ করে নিষ্পাপ হওয়ার জন্যে তারা এতটা উন্মাদ হয়ে যায় যে অনেক সময় ভীড়ের চাপে বহু মুমিন পটল তোলে। অর্থাৎ স্পর্শ বা চুমুর মাধ্যমে কাল পাথরকে শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে তারা জীবনকে বিপদগ্রস্থ করতেও পিছপা হয় না।

সুতরাং তারা যে যুক্তিতে হিন্দুদেরকে বলে যে তারা মূর্তি পুজা করে , ঠিক সেই একই যুক্তিতে মুসলমানরা কি কাল পাথর পুজা করে না ? নাকি হিন্দুদের বেলায় এক ধরনের যুক্তি , আর মুসলমানদের বেলায় ভিন্ন ? হিন্দুরা তো তবু কল্পনা করে যে তাদের ঈশ্বর বা ঈশ্বরের গুন রূপ দেবতা তাদের প্রতিমার মধ্যে বিধ্যমান, কিন্তু মুসলমানরা তো কখনই মনে করে না যে কাল পাথরের মধ্যে তাদের আল্লাহ বিদ্যমান অথচ আবার সেই কাল পাথরকেই পাপ মোচনের মাধ্যম হিসাবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। তার মানে হিন্দুরা যেখানে আংশিক ভাবে হলেও মূর্তি পুজাই করে , সেখানে মুসলমানরা কি ১০০% ই পাথর পুজা করে না ?
এতক্ষনে মুমিনরা দল বেধে ওমর কথিত একটা হাদিস দেখিয়ে বলবে যে, ওমর বলেছে কাল পাথরের কোন গুন নেই। তাই কাল পাথরকে চুম্বন বা স্পর্শ করলে কারও পাপ মোচন হয় না। কিন্তু প্রশ্ন হলো – কার কথা ইসলাম ? মুহাম্মদের কথা , নাকি ওমরের কথা ? কোন এ্কটি বিষয়ে মুহাম্মদ যে কথা বলবে ঠিক সেই একই বিষয়ে ওমর যদি ভিন্ন কথা বলে , তাহলে কার কথা গ্রহন করতে হবে ?

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s